Category Archives: আত্মোন্নয়ন

বেঁচে থাকা

প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠি, কাজ করি, আবার ঘুমাই। এই রুটিনে অভ্যস্ত হয়ে আমরা ভুলে যাই জীবনটা কত সুন্দর। জীবনটা এভাবেই চলবে ধরে নিই। কিন্তু সত্য হলো এই যে যে কোনো মুহূর্তে সমাপ্তি ঘটতে পারে এই বেঁচে থাকার, আজ রাতে ঘুমিয়ে কাল সকালে নাও জাগতে পারেন। এটি মনে রাখলে বেঁচে থাকা প্রতিটি দিন অনেক গুরুত্বপূর্ণ ও আনন্দদায়ক হতে পারে। একেকটি দিন করে বাঁচুন আর সেসব দিনকে উপভোগ করুন।ধন্যবাদ দিন ঈশ্বরকে, এইসব দিনের জন্য, বেঁচে থাকার জন্য।

সময় জ্ঞান

বাঙালির সময়জ্ঞান নিয়ে নানান ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ চলে। বলা হয়, বাঙালি হলো নটার গাড়ি কটায় ছাড়ে দেশের লোক। আরও নানা মুখরোচক গল্প আছে  সময় নিয়ে। যেমন ধরা যাক সেই কৃষক পিতার কথা। হেডমাস্টারকে বলছেন, ‘মাস্টার সাব, আমার পোলাডারে আজ একটি জলদি ছাইড়া দেন। মাঠে অনেক কাজ আছে’। শুনে হেডমাস্টার বললেন, ‘ঠিক আছে, ওকে আমি আজ এগারটায় ছেড়ে দেব’। শুনে কৃষক পিতা হায় হায় করে উঠলেন, ‘না, না, অত দেরিতে দিলে হবে না। ওরে আপনি একটায় ছুটি দেন’। যানবাহনের সময়জ্ঞান নিয়েও আছে মজার গল্প। যেমন, ৭৪২ ডাউন ট্রেনটি প্রতিদিন স্টেশনে আসে দু’ঘণ্টা বিলম্বে। কিন্তু হঠাত্ আজ দেখা গেল ওটি এসেছে ঠিক সময়ে। ব্যাপার […]

এক ঘন্টার মাহাত্ম্য

সাফল্য ও ব্যর্থতার মাঝে পার্থক্য কী? না, খুব বেশি পার্থক্য নেই। সফল ব্যক্তি বলবেন তার কর্মপদ্ধতির কথা। আর ব্যর্থ ব্যক্তিকে জিজ্ঞেস করুন সে কেন ব্যর্থ। প্রথম উত্তর পাবেন ‘কিছু করার মতো যথেষ্ট সময় পাইনি’। হ্যাঁ, এটাই মূল কথা। চব্বিশ ঘণ্টায় আমরা অনেক কাজ করি। খাই-দাই-ঘুমাই – আরো কতো কি! এরই মাঝে সফল ব্যক্তিরা সময় বের করে নেন। তারা কাজ চালিয়ে যান। যেমন মি. রহিম। কাজ করেন বেসরকারি সংস্থায়। সকাল আটটায় বেরিয়ে যান অফিসে। অফিসের কাজ সেরে বাসায় ফেরেন রাত আটটায়। তারপরও কাজ করেন কম্পিউটারে। তৈরি করেন বিভিন্ন সফটওয়্যার। লেখেনও মাঝে মাঝে। অন্যদিকে তারই বন্ধু মি. সেলিম, বেকার। সারাদিন কোনো কিছু […]