Tag Archives: অনুবাদ কবিতা

স্বপ্ন / শ্রী চিন্ময়

১. স্বপ্নসব বাঁচিয়ে রাখে এই পৃথিবী। ২. আজকের স্বপ্নদ্রষ্টা আগামীদিনের পথসন্ধানী। ৩. প্রতিটি স্বপ্নই সামনে এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা। ৪. প্রতিটি স্বপ্নই নিজেকে আবিষ্কারের সুযোগ। ৫. স্বপ্ন আমাদেরকে মেঘের মধ্যেই পাল তুলে নাও বাইতে প্রেরণা যোগায়। ৬. স্বপ্ন থেকে জন্ম নেয় বাস্তবতা। ৭. প্রতি মুহূর্তে স্রষ্টা স্বপ্ন দেখছেন তাঁর সৃষ্টির মাধ্যমে। ৮. প্রথমে আমরা স্বপ্ন দেখি, তারপর শীঘ্রই, বাস্তবতা নেমে আসে। ৯. আমরা প্রার্থনা করলে ঈশ্বর আমাদের এক নূতন স্বপ্ন দিয়ে আশীর্বাদ করেন। ১০. স্বপ্ন এক বীজ; এর থেকে বেড়ে ওঠে বাস্তবতা। ১১. মানবজাতির যা দরকার: দিনের বেলায় ইতিবাচক চিন্তা, রাতের বেলায় ইতিবাচক স্বপ্ন। ১২. মন যখন পরিষ্কার, স্বপ্ন তখন উজ্জ্বল। […]

সাতাশ হাজার আশার ফুল / শ্রী চিন্ময়

শ্রী চিন্ময় ১৯৮৩ সালে রচনা শুরু করেন Twenty-Seven Thousand Aspiration Plants  শিরোনামের বাণীর সংকলন যা শেষ হয় ১৯৯৮ সালে। সেই সংকলনের কিছু বাণীর অনুবাদ এখানে তুলে ধরা হলো। ১. প্রতিটি মানুষই একটি জীবন পেয়েছে আছে সেই জীবনের বিশেষ উদ্দেশ্য এই গোপন-কথা আবিষ্কার করতে হবে নিজেকেই। ২. মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হলো প্রতিদিন পরম সত্যের দিকে আকৃষ্ট যাওয়া ৩. কেউই খুব বেশি আন্দাজ করতে পারে না সৌন্দর্য ক্ষমতা এবং আনন্দ সম্পর্কে, নিজেকে জয়ের ৪. যদি আমরা আমাদের প্রার্থনা ও ধ্যানের গভীরে অবগাহন করতে পারি তাহলে দেখতে পাব পরিষ্কারভাবে শান্তি আসছে আমাদের কাছে চারদিক হতে। ৫. আমরা এক চরম বোকামি করে থাকি বোকামিটা […]

একাকী / মায়া অ্যাঞ্জেলো

শুয়ে শুয়ে, চিন্তা করেছি কাল রাতে কীভাবে পাবো আত্মার আবাস যেখানে জল নয় তৃষ্ঞার্ত আর রুটি নয় পাথরের মতো শক্ত পেলাম খুঁজে একটি উপায় আর মনে করি না আমি ভুল সে ব্যাপারে যে কেউ না, কেউই পারে না কেউই পারে না করতে তা একাকী একাকী, কেবল একাকী কেউ না, কেউই পারে না কেউ পারে না করতে তা কেবল একাকী অনেক কোটিপতি আছে অনেক টাকাই তারা করতে পারে না খরচ তাদের স্ত্রীরা ছুটে চলে ভুতের মতো এদিকওদিক তাদের সন্তানরা গান গায় বিষাদের চিকিৎসক রয়েছে তাদের সত্যিই ব্যয়বহুল করতে ভালো তাদের প্রস্তর হৃদয় তবু কেউ না না, কেউ না কেউ তা করতে […]

তারপরও জেগে উঠি / মায়া অ্যাঞ্জেলো

তোমরা আমাকে নিক্ষেপ করতে পারো ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে তিক্ত কথা আর বানোয়াট মিথ্যা দিয়ে তোমরা আমাকে চিত্রিত করতেই পারো কদর্যরূপে কিন্তু, ধূলিকণার মতোই, আমি আবার উঠব জেগে আমার উচ্ছলতাই কি তোমাদের বিব্রত করে? কেন তোমরা হও বিষাদে বিলীন? কারণ আমি এমনভাবে হাঁটি যাতে মনে হয় আমার ঘরে পেয়েছি তেলের খনি অবিরত চাঁদ আর সূর্যের মতোই জোয়ারের নিশ্চয়তার মতোই আশার উত্থানের মতোই পুনর্বার উঠব আমি জেগে তোমরা কি আমাকে দেখতে চাও হতবিহ্বল? নামানো মাথায় আর নামানো চোখে? গড়ানো অশ্রুকণার মতো ভাঙা কাঁধে আত্মার কান্নায় ক্রমশ দূর্বল হয়ে আমার ঔদ্ধত্য কি জ্বালায় তোমাদের? পারোনা মানতে তা কিছুতেই কারণ আমি হাসতে থাকি, যেন সোনার […]