Tag Archives: অনুবাদ

এক খুনীর মন

Mike Omer এর বই A Killer’s Mind প্রথম পড়ি ২০১৮ তে। বইটি আমাজন.কম-এ বেশ কিছুদিন বেস্টসেলার হিসেবে ছিল। বইটি পড়ে মুগ্ধ হই এর গতি দেখে। একবার শুরু করলে শেষ না করে পারা যায় না। আর এটি এতই ভালো লেগেছে যে আমার সহধর্মিনীকে পড়াতে চেয়েছি। উনি ইংরেজি পড়বেন না, তাই বাংলা করতে হয়েছে। পুরো বইটা বাংলায় অনুবাদ করার পর দেখি এটিও এটা সুখপাঠ্য থ্রিলার হিসেবে দাঁড়িয়ে গেছে। বইটা প্রকাশের অপেক্ষায় আছি। কোনো প্রকাশক এগিয়ে আসলেই সেটি আলোর মুখ দেখবে। আমি বাজি ধরে বলতে পারি সেটি একবার পড়তে শুরু করলে পাঠক শেষ না করে উঠতে পারবেন না। মাইক ওমরের একই সিরিজের নতুন […]

হ্যাকার হওয়ার কাহিনী

সরাসরি অনুপ্রবেশ: আগে থেকে টার্গেট করা কোনো কোম্পানির মধ্যে সরাসরি প্রবেশ করা, আমি কখনোই পছন্দ করি না। এটা খুব ঝুঁকিপূর্ণ। এ সম্পর্কে লিখতে গেলেও আমার ঘাম ছুটে যাচ্ছে। কিন্তু আমি ছিলাম সেখানেই, এক বিলিয়ন ডলার কোম্পানির পার্কিং লটে সেই বসন্তের সন্ধ্যায়। সুযোগ খুঁজছিলাম। এক সপ্তাহ আগে আমি একবার ঘুরে গেছি এই অফিস বিল্ডিং। দিনের বেলায়। এসেছিলাম এক কর্মচারীর কাছে একটা চিঠি দিতে। আসল উদ্দেশ্য ছিল কোম্পানির কর্মচারীরা কোন ধরনের আইডি কার্ড ব্যবহার করে তা জানা। এসে দেখলাম এই কোম্পানি তাদের কর্মচারীদের আইডি কার্ডে কর্মচারীর মাথার ছবি রাখে উপরে বামদিকে, তার নিচেই নাম, প্রথমে নামের দ্বিতীয়াংশ, পুরো বড় হাতের অক্ষরে। আর […]

আমার দু:খের জন্মের সময়

আমার দু:খের জন্ম হলে আমি তার যত্ন নিলাম, তার দিকে তাকালাম পরম মমতায়। আমার দু:খ বেড়ে উঠল অন্যান্য জীবের মতো, হয়ে উঠল শক্ত ও সুন্দর, আর অদ্ভূত ভাললাগায়। আমরা একে অপরকে ভালবাসলাম, আমার দু:খ আর আমি, আমাদের চারপাশের সবকিছুকে একসাথে ভালবাসলাম; আমার প্রতি দু:খের মমতা, আমার দু:খের প্রতি আমার মমতার কমতি ছিল না। এবং আমরা যখন পরস্পরের সাথে কথা বলতাম তখন আমাদের দিন ও রাত্রি ভরে উঠত অদ্ভুত স্বপ্নে; আমার দু:খের ছিল এক বাক্যবাগীশ জিহ্বা, আর আমারও তেমনি ছিল দু:খের প্রতি। আর আমরা যখন একসাথে গান গাইলাম, আমার দু:খ ও আমি, আমার প্রতিবেশিরা জানালার পাশে বসে শুনল সেই গান; কারণ […]

কাকতাড়ুয়া / কাহলিল জিবরান

একদিন এক কাকতাড়ুয়াকে বললাম, “এই একাকী প্রান্তরে দাঁড়িয়ে থাকতে নিশ্চয় তুমি ক্লান্ত হয়ে গেছ।” কাকতাড়ুয়া বলল, “অন্যকে ভয় দেখানোর আনন্দ অনেক গভীর ও দীর্ঘস্থায়ী, তাই আমি এটি করতে ক্লান্ত হই না।” এক মিনিট চিন্তা করে বললাম, “সত্য বটে, আমিও পেয়েছি এই আনন্দ।” সে বলল, “তাদের অভ্যন্তরে গাদা আছে খড় তারাই শুধু বুঝতে পারে এটা।” সে আমার প্রশংসা করল নাকি বিদ্রুপ সেটি বুঝতে না পেরে আমি চলে আসলাম। এক বছর চলে গেছে, এর মধ্যে কাকতাড়ুয়া পরিণত হয়েছে দার্শনিকে। এবার আবার যখন তার পাশ দিয়ে যাচ্ছি, তখন দেখি দুটি কাক বাসা বেঁধেছে তার টুপির নিচে।