Tag Archives: দিনলিপি

আনন্দ, আনন্দ

আহা, আরো একটি সুন্দর দিন। হাসি দিয়ে দিনটা শুরু, সারাদিন হাসিতেই কাটল। ওশোর বই পড়ছিলাম। তাতে তিনি বলছেন, আমাদের মধ্যে যে শক্তির প্রকাশ সেটিই আমরা চারদিকে ছড়াই। আমার মধ্যে যদি ঘাটতি ঘটে জীবনিশক্তির তাহলে লিখতে পারব না সুন্দর কবিতা, গাইতে পারব না আনন্দের গান। তাই, প্রাণ যখন পূর্ণ আনন্দে তখন অনেক শক্তি পাওয়া যায়, অনেক কিছু করা যায় – চারপাশ রঙিন হয়ে ওঠে। প্রাণের মধ্যে এই আনন্দের প্রাচুর্য আনাই শিখতে যাচ্ছি, শিখতে চাচ্ছি। বর্তমানকে মেনে নিয়ে, আশাকে ধ্বংস করে, প্রতিটি মুহূর্তকে অনুভব করার মধ্যেই এই আনন্দ। আজ সেটা ভালোমতোই বুঝলাম। মনের মধ্যে কোনো শঙ্কা নেই, কোনো ভয় নেই, কারো প্রতি […]

১৩ জুলাই ২০১৮

মাঝে মাঝে ভালো না লাগা ভর করে। এটি হয় যখন কিছুই করার থাকে না, কোনো তাড়া থাকে না। এমন কিছু কাজ আছে যা পরে করলেও চলে, করার কোনো তাড়া থাকে না, পুরোটাই অপশনাল, না করলেও চলে। এরকম কাজের ক্ষেত্রেই আলস্য ভর করে। বিষণ্নতা এসে দেখা দেয়। গুরুত্বপূর্ণ কাজ, জরুরী কোনো কাজ থাকলে নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়। তখন মন খারাপের আর সময় থাকে না। হতে পারে এটা একটা ভুল ধারনা, কিংবা মনকে কোনোকিছুর উপর নির্ভরশীল করে তোলা। কোনো কাজের উপর কেন নিজের গুরুত্ব নির্ভর করবে? এমনওতো ভাবা যায় যে আমি এমনিতেই গুরুত্বপূর্ণ, কিছু করি আর নাই করি, কারো কাজে লাগি বা […]

৬ জুলাই ২০১৭

লুঙ্গি রহস্য এখনও পুরোটা পরিষ্কার না। তার জবানবন্দি নেয়া হয়েছে। জবানবন্দির প্রতিটি কথা বিশ্বাস করা যাবে না। ভোর পাঁচটায় সে বাসা থেকে বেরিয়েছে, সাথে একটা ব্যাগ। সেই ব্যাগে কাপড়চোপড়, মোবাইল চার্জার আছে। বলছে, চোখের ওষুধ কেনার জন্য বের হয়েছে। চোখের ওষুধ এমন কোনো জরুরি ওষুধ না যে ভোর পাঁচটায় সেটি কেনার জন্য বের হতে হবে। তারপর যারা তাকে নিয়ে যাচ্ছে তারা কি ফোনে কথা বলতে দেবে। লুকিয়ে থেকে সে ফোনে কথা বলল, কিন্তু খুলনায় তাকে যখন ছেড়ে দেয়া হলো তখন কাউকে ফোন করলেন না কেন? এসব নিয়ে অনেক কথাবার্তা চলছে। দেখা যাক শেষ পর্যন্ত কী বের হয়। তবে বরাবরের মতো […]