আনন্দ, আনন্দ

আহা, আরো একটি সুন্দর দিন। হাসি দিয়ে দিনটা শুরু, সারাদিন হাসিতেই কাটল।

ওশোর বই পড়ছিলাম। তাতে তিনি বলছেন, আমাদের মধ্যে যে শক্তির প্রকাশ সেটিই আমরা চারদিকে ছড়াই। আমার মধ্যে যদি ঘাটতি ঘটে জীবনিশক্তির তাহলে লিখতে পারব না সুন্দর কবিতা, গাইতে পারব না আনন্দের গান। তাই, প্রাণ যখন পূর্ণ আনন্দে তখন অনেক শক্তি পাওয়া যায়, অনেক কিছু করা যায় – চারপাশ রঙিন হয়ে ওঠে। প্রাণের মধ্যে এই আনন্দের প্রাচুর্য আনাই শিখতে যাচ্ছি, শিখতে চাচ্ছি। বর্তমানকে মেনে নিয়ে, আশাকে ধ্বংস করে, প্রতিটি মুহূর্তকে অনুভব করার মধ্যেই এই আনন্দ। আজ সেটা ভালোমতোই বুঝলাম। মনের মধ্যে কোনো শঙ্কা নেই, কোনো ভয় নেই, কারো প্রতি রাগ নেই , ক্ষোভ নেই – কেবল ভালোবাসা। আর সেটিই শক্তি, সেই শক্তিই অন্যদেরকেও করে তোলে শক্তিমান। এভাবেই চলবে, এভাবেই চলতে হবে। এভাবেই ঘটবে সব, যেভাবে চাই।

আসলেতো চাই না কিছুই, আগামীকাল কেমন হবে সেটি দেখতে চাই না – কেবল আমার চেষ্টা এখনকার এই মুহূর্তটিকে উপভোগ করা। আগামীকাল সূর্য় ওঠার সাথে সাথে যে মুহুর্তটি পাবো, সেটিকে তখনই উপভোগ করব, তখন সেটি যেমন থাকবে তেমনিভাবে। বাইরে গিয়ে যার সাথেই দেখা হবে তার সাথেই কথা বলব, তাকে দেখেই হাসব। সে যদি নাও হাসে তাহলে কোনো অসুবিধা নেই। তার সেই না-হাসাকেই উপভোগ করব।

সূর্যস্নানে যাবো প্রত্যহ, ছাদে অথবা মাঠে, যেখানেই সুযোগ পাই। সুযোগ পেলেই মাটিতে হাঁটব, নগ্ন পায়ে। মাটির সংস্পর্শে আসব যখনই পারি। মাটির সাথে আমার সে সম্পর্ক সেটিকেই স্মরণ করবে আমার দেহ।

ভালো থেকো গান, ভালো থেকো দেহ। আনন্দ আনন্দ – চারিদিকে থাক শুধুই আনন্দ।


Leave a Reply

%d bloggers like this: