কৃত্রিম মেধা: আশীর্বাদ না অভিশাপ?

Estimated read time 0 min read

একালের এক বিস্ময়ের নাম কৃত্রিম মেধা। যন্ত্রের ভেতর মানুষের বুদ্ধি! ভাবা যায়? কিন্তু এই অসম্ভবকে সম্ভব করেছে মানুষের অক্লান্ত পরিশ্রম আর প্রযুক্তির অগ্রগতি। দিন দিন এ যেন আরো শাণিত হয়ে উঠছে, আরো বুদ্ধিমান, আরো ক্ষমতাবান।

একদিকে যেমন এটি মানবসভ্যতার এক বড় অর্জন, তেমনি অন্যদিকে একে নিয়ে নানা শঙ্কাও কম নয়। কৃত্রিম মেধা যে একদিন মানুষের চেয়েও বুদ্ধিমান হয়ে উঠবে, এমন আশঙ্কা অনেকের মনেই ঘুরপাক খাচ্ছে। কেউ কেউ ভয় পাচ্ছেন, এ যদি মানুষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়! কেউ আবার বলছেন, এ যদি মানুষের চাকরি কেড়ে নেয়!

এই আশঙ্কাগুলো অমূলক নয়। তবে একথাও ঠিক যে, কৃত্রিম মেধা আমাদের জীবনকে অনেক সহজ করে দিতে পারে। রোগ নির্ণয় থেকে শুরু করে আবহাওয়ার পূর্বাভাস, এমনকি গাড়ি চালানো পর্যন্ত – সবকিছুতেই এর ব্যবহার বাড়ছে। এর ফলে আমরা সময় বাঁচাতে পারছি, বেশি কাজ করতে পারছি, অনেক কিছু শিখতে পারছি।

তবে এটা ঠিক যে, কৃত্রিম মেধার ব্যবহারে সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি। একে যেমন মানুষের সেবায় নিয়োজিত করতে হবে, তেমনি এর অপব্যবহার রোধ করতে হবে। এর ফলে যাতে মানুষের কাজের সুযোগ কমে না যায়, সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে।

মোদ্দা কথা হলো, কৃত্রিম মেধা আশীর্বাদ না অভিশাপ, তা নির্ভর করবে আমরা একে কীভাবে ব্যবহার করছি, তার উপর। সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারলে এটি হবে মানবজাতির জন্য এক মহা আশীর্বাদ। অন্যথায় এটি হয়ে উঠতে পারে এক ভয়ঙ্কর অভিশাপ। সিদ্ধান্ত আপনাদের হাতে।

You May Also Like